Saturday, August 3, 2019

দুসরা ‘ঈদ’ আত্মত্যাগের বিনিময়েই হয় কোরবানি

0 comments
‘ঈদ’ আরবি শব্দ। আসলে এর অর্থটাই হচ্ছে ফিরে আসা। এই ফিরে আসা’কে ঈদ বলা হয় এ কারণে যে, মানুষ বারংবার একত্রিত হয়ে সাধ্য মতো যার যা- উপার্জন তা অনেক খুশিতে আল্লাহ্ পাকের দরবরে সোয়াব এর আশায় আনন্দ উৎসব করে। বলা যায়, সোয়াবের পাশা পাশি একে অপরের প্রতি হিংসা বিদ্বেষ দূর হয়। 
সুতরাং ঈদকে দ্বারাই মহান আল্লাহ তাঁর বান্দাকে নিয়ামাত কিংবা অনুগ্রহে ধন্য করে থাকে। বারংবারই তাঁর ইহসানের নৈতিক শিক্ষা প্রদান করে। আল্লাহ্ তায়ালার প্রতিই ভালোবাসা লাভের উদ্দেশ্যে কিছু বিসর্জন দেয়াকে কোরবানী বলা যেতে পাবে।
সুতরাং আর্থিক ভাবেই সামর্থ্যবান ব্যক্তির উপরেই কোরবানির হুকুম পালন ওয়াজিব হয়েছে। তাই সামর্থ্য থাকা সত্তে কেউ যদি কোরবানির মতো ইবাদত থেকে বিরত থাকে কিংবা কোরবানি না দেয়। তাহলে সেই ব্যক্তি অবশ্যই যেন গুনাহগার হবে। আল্লাহর হুকুমের আনুগত্যের মধ্যে কোরবানি একটি বিশেষ আমল। বিশ্বব্রহ্মাণ্ডে মহান আল্লাহ পাক মুসলিম উম্মাদের জন্য যেন ‘নিয়ামাত’ হিসেবেই ঈদ দান করেছে। হাদিসে বর্ণিত রয়েছে যে ‘রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম মদিনায় যখন আগমন করে ছিল তখন মদিনা বাসীদের ২টি দিবস ছিল, সে দিবসে তারা শুধুই খেলাধুলা করত।’ আনাস রাদি আল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিত রয়েছে যে, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম গুরুত্বের সঙ্গে প্রশ্ন করে ছিল এমন দুই দিনের তাৎপর্যটা কী? মদিনা বাসীগণ উত্তর দিলেন : আমরা জাহেলী যুগে এই দুই দিনে খেলা ধুলা করে কাটাতাম। তখন তিনি বলেছিলেন, আল্লাহ রাববুল আলামিন এই দু’দিনের পরিবর্তেই তোমাদেরকে এর চেয়েও শ্রেষ্ঠ দু’টো দিন দিয়েছেন। তাহচ্ছে মুসলিম উম্মার ‘ঈদুল আজহা ও ঈদুল ফিতর।’ সুতরাং শুধু খেলা-ধুলা বা আমোদ-ফুর্তির জন্যই যে দু’দিন ছিল তাকে পরিবর্তন করেই সৃষ্টিকর্তা এইদুটি ঈদুল আযহা ও ঈদুল ফিতরের ঈদের দিনকেই দান করে ছিল। সমগ্র উম্মতগণ যেন ঈদের দিনেই মহান আল্লাহর শুকরিয়া, জিকির এবং তাঁর নিকটে ক্ষমা প্রার্থনার সহিত শালীনতায় আমোদ-ফুর্তি ও নিজস্ব সাজ-সজ্জা কিংবা খাওয়া-দাওয়ার ব্যপারেও সবাই সংযম হতে পারে। এমন কথা গুলো বিদায়াহ ওয়ান নিহায়াহ পুস্তকে ইবনে জারীর রাদি আল্লাহু আনহুর অনেক বর্ণনায় উঠে এসেছে। জানা দরকার, দ্বিতীয় হিজরিতে প্রথম ঈদ করে ছিল ‘রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম।’ তাই ইসলাম ধর্মে ‘বড় দুইটি’ ধর্মীয় উৎসবের দিনের মধ্যে একটি ঈদ হচ্ছে- ঈদুল আযহা। এইদেশে এমন উৎসবটিকে আবার অনেক মানুষরা কুরবানির ঈদ বলেও সম্বোধন করে। ‘ঈদুল আযহা’ মূলত ‘আরবী বাক্যাংশ’। এর অর্থটা দাঁঁড়ায় ‘ত্যাগের উৎসব।’ এরই মূল প্রতিপাদ্য বিষয়টা হচ্ছে ‘ত্যাগ করা’। এ দিনটিতে মুসলমান তাদের সাধ্যমত ধর্মীয় নিয়মানুযায়ী উট, গরু, দুম্বা, ছাগল কোরবানি কিংবা জবাই দিয়ে থাকে। ঈদুল আজহার দিন যেন ঈদের সালাতের পূর্বে কিছু না খেয়ে সালাত আদায় করে। তার পরে কুরবানি দিয়েই গোশত খায়। এটাই সুন্নাত এবং বিশ্ব নবী তাই করে ছিল। “বুরাইদা রাদি আল্লাহু আনহু” হেকে বর্ণিত রয়েছে যে, নবী কারীম সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম ঈদুল ফিতরের দিন না খেয়ে ঈদগাহে যেতো না। আবার ঈদুল আযহা’র দিন তিনি ঈদের সালাতের পূর্বেও খেতেন না। এমন “তাকওয়ার সহিত ‘কোরবানি’ আদায় করা দরকার। আবার এও জানা যায় যে, ‘কোরবানী দেওয়া পশুর রক্ত জমিনে পড়ার পূর্বেই আল্লাহ তায়ালা যেন সেই কোরবানি কবুল করে নেওয়ার ঘোষণাও দিয়েছে। এখন এ ঈদ আনন্দের বাস্তবতার দিকে আসা যাক। ‘ঈদ’ শব্দটিকে যখন মানুষ প্রথম বুঝতে শিখে তখন তাঁদের শিশু কাল থাকে এবং সেসময় তারা বড়দের উৎসাহে ১ম ঈদের আনন্দকে উপভোগ করে। তারা সারা রাত না ঘুমিয়ে খুব ভোরে নতুন সুগন্ধি সাবান দিয়ে গোসল করে। তারপর ঈদের নামাজের জন্যই আতোর, সুরমা এবং নতুন নতুন জামা কাপড় পরে বাবা ভাইদের নিয়ে পাড়া- প্রতিবেশীদের সঙ্গেই যেন তারা প্রিয় ঈদগাহে যেত। তবে ঈদগাহে যে পরিবেশ হয়ে উঠে সেটিই মুলত ঈদের খুশি। ঈদগাহের মাঠে পায়ে হেঁটে যাওয়া বা আসার মজাই আলাদা। জানা যায়, ‘আলী রাদি আল্লাহু আনহুর’ বর্ণনা মতে সুন্নাত হলো ঈদগাহে- পায়ে হেঁটেই যাতাযাত করা। সুতরাং, উভয় পথের লোকদেরকে সালাম দেয়া এবং ঈদের শুভেচ্ছা বিনিময় করাও ভালো হয়। উদাহরণ স্বরূপ নবীকারীম সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম ঈদগাহে এক পথে গিয়ে আবার অন্য পথেই ফিরেছে। “ঈদুল আযহার” তাৎপর্য হলো ইসলাম ধর্মের নানা বর্ননায় যা পাওয়া যায় তা হলো এই, মহান ‘আল্লাহ তায়ালা’ ইসলাম ধর্মেরই এক নবী ‘হযরত ইব্রাহীম (আঃ)’কে স্বপ্নে তাঁর সবচেয়ে প্রিয় বস্তুকেই আল্লাহ তায়ালাকে খুশির উদ্দেশ্যেই কুরবানির নির্দেশ দিয়ে ছিল। সেই আদেশেই ‘হযরত ইব্রাহিম(আঃ)’ তাঁর সবচেয়ে প্রিয় পুত্র ইসমাইলকে কুরবানি করার জন্যেই যেন প্রস্তুত হয়েছিল। কিন্তু তাঁর সৃষ্টিকর্তা তাঁকে তা করতে বাধা দিয়ে ছিল। সেখানেই নিজ পুত্রের পরিবর্তেই একটি পশু কুরবানি হয়েছিল এবং তা হয়েছিল সৃষ্টিকর্তার নির্দেশেই। এ ঘটনাকে স্মরণ করেই বিশ্বের মুসলিম ধর্মাবলম্বীরা মহান আল্লাহ্ তায়ালার সন্তুষ্ঠি অর্জনে প্রতি বছর ঈদুল আযহা দিবসটি পালন হয়ে আসে। হিজরির বর্ষ পঞ্জির হিসাবেই জিলহজ্জ্ব মাসের দশ তারিখ থেকেই শুরু করে বারো তারিখ পর্যন্ত ৩ দিন ধরেই যেন ঈদুল আযহা চলে। হিজরি চান্দ্র বছরের গণনা অণুযায়ী “ঈদুল ফিতর” এবং ঈদুল আযহার মাঝে দু’মাস ১০ দিনের ব্যবধানেই হয়ে থাকে। আর দিন হিসেবেই তা সবোর্চ্চ ৭০ দিনও হতে পারে। জানা দরকার ঈদুল আযহার দিন থেকেই শুরু করে যেন পরবর্তী দু’দিন পশু কুরবানির জন্যেই নির্ধারিত থাকে। বাংলাদেশের মুসলমানেরা সাধারণত গরু বা খাসী “কুরবানি” দিয়ে থাকে। এক ব্যক্তি একটি মাত্র গরু, মহিষ কিংবা খাসি কুরবানি করতে পারে।
তবে গরু এবং মহিষের ক্ষেত্রেই সর্বোচ্য ৭ ভাগে কুরবানি করা যায় অর্থাৎ দুই, তিন, পাঁচ বা সাত ব্যক্তি একটি গরু, মহিষ কুরবানিতে শরিক হলে ক্ষতি নেই। তাই এ দেশে সাধারণত কুরবানির মাংস তিন ভাগে ভাগ করেই- ১ ভাগ গরিব-দুঃস্থদের মধ্যে ১ ভাগ আত্মীয় -স্বজনদের মধ্যে এবং এক ভাগ নিজেদের খাওয়ার জন্য রাখা উচিত, তবে ইসলামের আলোকেই জানা যায়, এই ঈদের মাংশ বিতরনের জন্য কোন প্রকার সুস্পষ্ট হুকুম নির্ধারিত নেই। এমন কুরবানির পশুর চামড়া বিক্রির অর্থগুলো দান করে দেওয়ার নির্দেশ রয়েছে। কোনো মুসাফির অথবা ভ্রমণকারির ওপর কুরবানি করা ওয়াজিব নয়।
আবার ঈদুল আযহার ঈদের নামাজের আগেই ইসলাম ধর্মাবলম্বীদের পশু কুরবানি সঠিক হয় না। জানা যায়, এমন কুরবানির প্রাণী খাসী বা ছাগলের বয়স কমপক্ষে ১ বছর ও ২ বছর বয়স হতে হয় গরু কিংবা মহিষের বয়স। নিজ হাতে কুরবানি করাটাই উত্তম। এই কুরবানি প্রাণীটি দক্ষিণ দিকে রেখে কিবলা মুখী করে খুবই ধারালো অস্ত্র দ্বারা অনেক স্বযত্নে মুখে উচ্চারিত ‘বিসমিল্লাহি আল্লাহু আকবার’ বলে জবাই করাটা ইসলাম ধর্মের বিধান। সুতরাং এই ‘ঈদ’ আনন্দে ভরে উঠুক প্রতিটি প্রাণ।
সবাই সবার প্রতি ‘ভালোবাসা ও আনন্দ’ নিয়ে একসঙ্গেই কাজী নজরুল ইসলামের ঈদুল আযহার গান অন্তরে ধ্বনিত করি:- “ঈদুল আযহার চাঁদ হাসে ঐ, এলো আবার দুসরা ঈদ, কোরবানি দে কোরবানি দে, শোন খোদার ফরমান তাকিদ। এমনি দিনে কোরবানি দেন, পুত্রে হযরত ইব্রাহিম। তেমনি তোরা খোদার রাহে, আয়রে হবি কে শহীদ।। 

লেখক:
নজরুল ইসলাম তোফা
সাংবাদিক ও কলামিষ্ট
Read more...

Tuesday, June 3, 2014

কলঙেকর বোঝা

0 comments
আব্দুল কাদের আহাম্মেদ 
উপদেষ্টা,সূর্যোদয়
 











কেউ চায়না ওভাবে মরতে
কলংকের বোঝা মাথায় নিয়ে
এখুনি বেরিয়ে পড় তুমি
হাওয়া বইছে অনূকুল৷
শরীরটাতে ঝাঁকুনী দাও
আড়মোড়া ভেঙে ফেল তুমি
শক্ত হাতে ধরো যা পাও কাছি,
কান পেতে শুন মায়ের আদের্শ৷
ক’টা মরণ দেখে মর েচাই
ঘবে কি পূরণ সে আশা আমার
ক’টা শকুন তো পছে বাঁধা
ডসমুল গাছের মগতালে৷
বাংলার সরস পেলব মাটিতে
একটু সুখী জীবন যাপন করি৷
Read more...

Friday, December 21, 2012

সূর্যোদয় পরিবার

0 comments
    
                 উপদেষ্টা

            ১৷ আ.ত.ম জহিরল ইসলাম,

   ২৷ আব্দুল কাদের আহম্মেদ
 
প্রকাশক ও সম্পাদক

৩৷ আপেল বসুনীয়া

সহঃ সম্পাদক

৪৷ আব্দুর রহমান

বিজ্ঞাপন ম্যানেজার
 
৫৷ মোকাদ্দেস হোসেন

বিভাগীয় সম্পাদক

৬৷ ডাঃ লিয়াকত আলী খন্দকার

৭৷ জামেনা আক্তার

৮৷ শাহিনা পারভীন রেজভী

৯৷ পারল আক্তার

সদস্য সচিব
 
১০৷ ………..

সদস্য

১১৷ তকদিরা শিল্পী

১২৷ রেজওয়ানা পারভীন রজনী

১৩৷ উমাইয়া আক্তার আফসানা

১৪৷ ফাতেমা রহমান রিতা

১৫৷ রেজাউল ইসলাম রেজা

১৬৷ মিশু সুলতানা

১৭৷ আনিকা তাসনিম রিফাহ্‌

১৮৷ নাঈমা ফেরদৌসী

১৯৷ ইশারাত জাহান এ্যানী

২০৷ শারমিন সরকার লিজা

২১৷ মৃত্যুঞ্জয় সরকার

২২৷ আতাউর রহমান

২৩৷ জান্নাতুল ফেরদৌসী

২৪৷ এস.এম. জাহিদ

২৫৷ সাদেকুজ্জামান এ্যাপোলো

২৬৷ রেজওয়ানুল কারীম জামিল

২৭৷ ডাঃ এছার“ল হক

২৮৷ এম.এস.এস আনাস

২৯৷ রেজাউল ইসলাম

৩০৷ মাসুম সাজ্জাদ

৩১৷ মাহামুদুন্নবী শুভ






নতুন সদস্য

৩২৷ সুমি পারভীন

৩৩৷ মার“ফা আক্তার মিমি

৩৪৷ সাজ্জাদুর রহমান

৩৫৷ কায়মা হোসেন অদিথী

৩৬৷ আজিজুল নাহার তৃপ্তি

৩৭৷ রাবেয়া হক বিথী

৩৮৷ জেনেভা ইয়াসমিন জিসা

৩৯৷ ওয়ালিউর রহমান রিফাত

৪০৷ আসিফ বসুনিয়া

৪১৷ দিলশাত জাহান দিপ্তী

৪২৷ ইফফাত আরা প্রাপ্তী

৪৩৷ওয়াজীদা নাসরীন প্রান্—ী

৪৪৷শাহরীয়ার রহমান রাফসানী

৪৫৷ ইফতিয়ার আলম তুষার

৪৬৷ হার“ন উর রশিদ সৌরভ

৪৭৷ তাসনিমা আক্তার অভি

৪৮৷ মাহামুদা আক্তার

৪৯৷ জারনিমা জাহান জুশি

৫০৷ আনিকা তাবাছুম

৫১৷ নৌশিন শরমিলি কথা

৫২৷ আলিশা মৌ ইশা

৫৩৷ উম্মে আশফিকা আততীন

৫৪৷ শাহনাজ আক্তার সূচনা

৫৫৷ আরফিন জাহান উর্মিতা

৫৬৷ রিফাত হাসান পলাশ

৫৭৷ আবুল হাসনাত সাদ

৫৮৷ নিয়াজ মোরশেদ

৫৯৷ আশিকা আক্তার আইরিন

৬০৷ খাদিজাতুল কোবরা

৬১৷ আয়শা সিদ্দিকা মনি

৬২৷ সুমাইয়া আক্তার রিশা

৬২৷ নুসনি আক্তার নিশা

৬৩৷ আশরাফুল ইসলাম মিলন

৬৪৷ আমজাদুল হক শাওন

৬৫৷ আবু সাঈদ হৃদয়

৬৬৷ নাহার“ন নূর মরমী

৬৮৷ ইসমত তারা শ্রাবনী

৬৯৷ কাজী সুরাইয়া আক্তার দিপা

৭০৷ রোকসানা আক্তার আন্নি

৭১৷ নিশাত তাসনিম মনি

৭২৷ শ্রাবনী হায়াত

৭৩৷ নূরে জান্নাত আইরিন

৭৪৷ রইসুল ইসলাম
 
৭৫৷ সুধা সুলতানা

৭৬৷ মাহাবুবা

৭৭৷ রিদওয়ান আজম ঈসাধ

৭৮৷ হুরিয়াদ আক্তার কেমি

৭৯৷ রাহি আল আউয়াল

৮০৷ ফারিয়া তাবাচ্ছুম প্রভা

৮১৷ সাদিয়া আলিয়া তামান্না

৮২৷ সামিহা শারমিন ক্যাথি

৮৩৷ আনিকা হক জিসা

৮৪৷ ফারিহা হক জুই

৮৫৷ সিনথিয়া তাবাচ্ছুম রোজ

৮৬৷ আদিয়াত আলম স্নেহা

৮৭৷ খোরশেদ আলম

৮৮ ৷ সুখী সুলতানা

৮৯৷ এ. িব.এম আশাদুল আলম প্রধান

৯০৷ নাছুমা আক্তার লাজী

৯১৷ রাবেয়া আক্তার

৯২৷ মজিবুল ইসলাম
Read more...

যোগাযোগ

0 comments
প্রধান কার্যালয় 
ইসলামীয়া লাইব্রেরী, কলেজ রোড, চিলাহাটি ।
মোবা : 01710605871 (সম্পাদক ),
 01740819947 (সহ:সম্পাদক ),
 01723067858 (বিঙ্গাপন ),
 ই-মেইল : surjodoy08@gmail.com

সৈয়দপুর অফিস
মনন হলিমিডিয়া,
শহীদ ডা.জিকরুল হক রোড, সৈয়দপুর ।
মোবা : 01717727231

রাণীরবন্দর অফিস
রাণীরবন্দর আঞ্চলিক প্রেস ক্লাব,
 রাণীরবন্দর- দিনাজপুর ।
 মোবা : 01716246322

পাবনা অফিস 
 হিরিন্দাবাজার, কুয়াবাসি,
চাটমোহর, পাবনা- ৬৬১০ ।
 মোবা : 01713767157

 ঢাকা অফিস 
৩১/৩২ বাংলাবাজার, ঢাকা-১০০০ ।
মোবা : 01715795075
Read more...

অকৃত্রিম

0 comments
একতা একটি ছোট পাখি একটি সাদা গোলাপের প্রেমে পড়লো৷ পাখিটি রোজ গোলাপ টির কাছে আসতো এবং বিভিন্ন ভাব ভঙ্গিমায় তার মনের ভাব প্রকাশ করতো কিন্তু গোলাপটি সবকিছু বুঝেও না বুঝার ভান করতো৷
একদিন পাখিটি গোলাপটিকে বলেই ফেললো৷ কিন্তু গোলাপটি তার প্রস্—াব মেনে নিলোনা ৷ পাখিটি রোজ আসতো এবং বলতো৷ একদিন গোলাপটি পাখিটিকে বললো৷
যে দিন আমি সাদা রং থেকে লাল রঙে পরিনত হব সে দিনেই আমি তোমাকে ভালোবাসবো৷ পাখি টি জানতো সে কোন দিন সাদা রঙে পরিনত হবে না৷ তাই একদিন পাখির গোলাপটির কাছে আসলো এবং অনেক ¶ণ তাকিয়ে থাকলো৷ এবং পড়ে তার দুটি ডানা কেটে রক্ত ছিটিয়ে গোলাপটি তখন বুঝতে পারলো যে পাখিটি তাকে কতখানি ভালোবাসতো৷ কিন্তু তাতে অনেক দেরি হয়ে গেছে৷ ডানা কাটার ফলে পাখিটি মওে গেেতাই তোমাদের ভালোবাসাকে বুঝতে চেষ্ঠাকর এবং তাকে কথনো হারাতে দিও না ৷




 আবতাহী তানভীর,
 ঢাকা৷
Read more...

Sunday, December 16, 2012

কাসা পিতলের ছোট্ট দেশ গোমনাতি একসময় শোনা যেত বাষের গর্জন

0 comments
আপেল বসুনীয়া : ফাতেমা বেগমের কানে এখনও ধব্বনি হয় ওই ডাক৷ কেউ কেউ বলেন বাষের গর্জন৷কিশোরী বয়সে যখন বউ হয়ে আসেন গোমনাতিতে তখন ভীত হয়েছিলেন ওই শব্দ শুনে৷বয়সের ছাপ পড়েছে তার শরীরে৷ ছেলে-মেয়েদেও বিয়ে দিয়েছেন৷ তবুও ভেঙ্গে পড়েননি৷সারাদিন হাড়ভাঙ্গা পরিশ্রম করেন৷তারপরও অভাব পিছু ছাড়েনা৷ ফাতেমা বেগমের বাবার বাড়ী ডিমলা উপজেলার ছাতনাই ইউনিয়নের বালাপাড়া গ্রামে৷ এটি প্রত্যন্— গাঁ৷ওই গময় অজোপাড়াগাঁয়ে ছিলনা বিদ্যুত্, পাকা রাস্—াও ছিলনা৷মেঠো পথে চলত পর“-মহিষের গাড়ী৷ গর“গাড়ীতে চেপে যখন শ্বশুরবাড়ী আসেন ফাতেমা, তখন চোখ ছিল তার স্বপ্ন৷কাসা-পিতলের যেন ছোট্ট দেশ গোমনাতি৷ ডোমার উপজেলার একটি ইউনিয়ন৷ এক সময় রংপুর জেলার ভূগোলে লেখা গোমনাতি কাসা-পিতলের জন্য বিখ্যাত৷এখানে চমত্কার বাসনপত্র তৈরী হতো৷ ফাতেমা বেগমের শ্বশুর মরহুম আঃ হামিদের ছিল ওমর কাসা-পিতলের বাসনপত্র তৈরীর কারখানা৷ তিনি ব্যবসা করতেন ঘোড়ায় চড়ে৷ ছিল আবাদি জমি৷ফাতেমার স্বামী আতিয়ার রহমানও ছিলেন একই পেশায় জড়িত৷বেশ সচ্ছল ছিল ওদের পরিবার৷ আস্—ে আস্—ে বিলুপ্ত হতে থাকে কাসা-ডিতলের বাসনপত্র৷যুগের সাথে তাল মিলিয়ে চলে আসে এলুমিনিয়াম, িস্টল, প¬াস্টিক আর মেলামাইন৷ যদিও এখানে হিন্দুদের বিয়েতে প্রথা অনুযায়ী কাসার বাসন দরকার হয়৷কিন্তু দাম খুব বেশী৷ এক সময় আভিজাত্য প্রকাশ পেত কার কতটা কাসা-পিতলের বাসনপত্র আছে৷স্বাধীনতা উত্তর দু’বছর পরও গোমনাতিতে এই ব্যবসা ছিল রমরমা৷ অকে ব্যবসায়ীর বসবাস ছিল এই ইউনিয়নটিতে৷ কথিত আছে এই এলাকা ঘুওে গেছেন তত্কালীন পাকিস্—ানের প্রধানমন্ত্রী খাজা নাজিমুদ্দিন৷
সর্বশেষ প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়া এখানে সফওে এসেছিলেন ১৯৯৪ সালে৷ এই এলাকার বাসিন্দারা তাকে (প্রধানমন্ত্রী) উপহার দিয়েছিল জুড়ানো কাসার উপঢৌকন৷ প্রধানমন্ত্রী বিলুপ্ত হওয়া কাসা-পিতল তৈরীর কাজে নিয়োজিত পেশাজীবীর সাহায্যেও জন্য হাত বাড়ান৷ কিন্— চাহিদা না থাকায় ওরা এ পেশা ছেড়ে অন্য পেশায় জড়িয়ে পড়ে৷ এখন মাত্র ১৫টি ওমর পরিবার এখানে বসবাস করে৷ এরা হলো সহিদুল ইসলাম, নূও মোহাম্মদ, আনিছুর রহমান, জহির“ল হক, নজর“ল ইসলাম, লতিফর রহমান, মশিয়ার রহমান, মমতাজ আলী, লুত্ফর রহমান, আবু হোসেন বুলু, খায়র“ল ইসলাম, ওয়ালেব, খোকাবুড়া ওসমান আলী ও রফিকুল ইসলাম৷ এদের সহিদুল ইসলাম করেন বাঁশের ব্যবসা৷ তার পরিবারের সদস্য সংখ্যা ৫ জন৷ বড় ছেলে নূরজ্জামান (২৪) ৮ শ্রেণী পর্যন্— পড়েছিল৷ কাসা-পিতলের বাসন তৈরী করতে জানতো সে৷ এসএসসি পাস করা মেয়ে সবিনা পারভীনের (২২) বিয়ে দিয়েছেন৷ ৩য় সন্—ান কামর“জ্জামান পড়ে দশম শ্রেণীতে৷ সবচেয়ে ছোট মেয়ে সাবিনা ইয়াসমিন ৮ম শ্রেণীতে পড়ে৷ সহিদুল বলেন,আমি ছিলাম সবচেয়ে বড় কাসা-পিতলের মহাজান৷ কাসা-পিতলের বাসনপত্র তৈরীতে পটু ছিলেন রফিকুল (৪৮)৷ তার হাতের গড়া জগ,বাটি,পানের ডাবলা,থালা ছিল চোখ ধাঁধানো৷ সবচেয়ে বেশী চাহিদা ছিল হামুদাস্—া৷ এখন গোটা ইউনিয়ন মিলে ওমর ১০/১২টা বাসনপত্র পাওয়া যাবেনা৷ বর্তমানে এলুমিয়ামের বাসনপত্র তৈরী করেন তিনি৷ কিন্— আগের মতো সচ্ছলতা নেই৷তিনি জানান, কাসা-পিতলের কাঁচামাল ওরা সংগ্রহ করতেন ভারতের হলদিবাড়ী, জলপাইগুড়ি, কচুবিহার হতে৷ মাটির ফ্রেমের মধ্যে গলানো কাসা-পিতল দেয়া হতো৷তারপর আস্—ে আস্—ে কওে তৈরী করা হতো সুদৃশ্য বাসনপত্র৷নয়ন জড়ানো এসব জিনিস ছিল ধনীদের ঘরে৷ কাসা-পিতল গলানোর জন্য ছিল আলাদা চিমনি৷ কয়লা ছিল এর প্রধান জ্বালানী৷ এখন কাসার দাম প্রতি কেজি সাড়ে ৮শ টাকা৷ আগে ছিল ৫০/৬০ টাকা৷ আর এক কারিগর দোলোয়ার হোসেন৷ তার মেয়ে মরিয়ম আক্তার র“মী৷ একই এলকার শহীদ জিয়া বালিকা বিদ্যালয়ের দশম শ্রেণীর ছাত্রীরা ওর কাছে কাসা-পিতলের কথা রূপকথা গল্পের মতো লাগে৷ সে বলে, শুনেছি দাদাদের ছিল ওই কাসা-পিতল বাসনপত্র তৈরীর কারখানা৷ আমাদের কোন অভাব ছিলনা৷ খোকাবুড়ার স্ত্রী মফেজা (৬০) বললেন, তখন আমাদের এমন অবস্থা ছিল যে মেয়ের বিয়েতে দিয়েছিলাম কয়েক ভরি সোনার গহনা৷ এখন মেয়েরা বাপের বাড়ীতে বেড়াতে এলে আমাদের সাথে উপোস থাকে৷
ওই এলাকার প্রবীণ চিকিত্সক মজিবর রহমান এবং দ¶িণ আমবাড়ী গ্রামের যুবনেতা শাহাজাহান সরকার বাচ্চু জানান, সত্যিই কাসা-পিতলের বাসনপত্র তৈরীর শব্দ মতো বাষের গর্জন৷ এখাকার তৈরী বাসনপত্র রপ্তানি হতো বিভিন্ন জেলায় এমনকি ভারতে সওদা হতো বেশী৷ কাসা-পিতলের বাসনপত্র হারিয়ে গেছে৷ এই পেশা ছেড়ে কেউ শি¶কতা, েকউবা ভ্যানচালক, কেউবা রিকশা- সাইকেলের মেকার, কেউ দিনমজুর হিসেবে কাজ করে৷ অধিকাংশের সচ্ছলতা নেই৷পুণর্বাসনের সুযোগও হয়নি৷ কিন্— ঐতিহ্য ছিল৷ তখন আজকের মতো ছিলনা পাকা সড়ক, িবদ্যুত্সহ দুরালাপনী ব্যবস্থা৷
ফাতেমা বেগমের স্বামী এখন পুরাতন বাসনপত্রের মেরামতের কাজ করেন৷ অনেকটা ফেরিওয়ালা হিসেবে৷পাঁচ সদস্যের পরিবারের নিজের ভিটেটুকু নেই৷ অভাবের তাড়নায় বেচে দিয়েছে ওরা সহায়-সম্বল৷ কখনও কখনও আধাবেলা না খেয়ে চলছে জীবনযাপন৷
কিন্— ফাতেমা বেগম ভূলতে পারেননি সেই স্মৃতি৷ এখনও তিনি শুনতে পান ওই বাষের গর্জন৷
Read more...

Saturday, December 20, 2008

0 comments
Read more...

Tuesday, December 16, 2008

দৃষ্টি আর্কষন

0 comments
আপনি কি সূর্যোদয় পরিবারের একজন গবির্ত সদস্য হতে চান? আপনার কবিতা,গল্প এবং ফিচারে আলোকিত করতে চান দেশ/বিদেশের সাহিত্যনুরাগীদের। তাহলে আর দেরী নয় আজই আপনার লেখা পাঠিয়ে দিন আমাদের ঠিকানায়।
আর সদস্য হতে চাইলে পার্সপোট ছবি ও ঠিকানা ইমেইলে পাঠিয়ে দিন।  বিস্তারিত জানতে যোগাযোগ করুন.......
Read more...